Loading
সারাবিশ্বের মন্ত্রীরা আমাদের কাছে পরামর্শ চায়
Bangladesh News24
Mon, 22 Apr 2019 19:17

সারাবিশ্বের মন্ত্রীরা আমাদের কাছে পরামর্শ চায়

Bangladesh News24
Mon, 22 Apr 2019 19:17

সারাবিশ্বের মন্ত্রীরা আমাদের কাছে পরামর্শ চায়

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘এইবার বোধহয় দেেছি, সারাবিশ্বের মন্ত্রীরা বাংলাদেশের মন্ত্রীদের ুঁজে বেড়ায়। সারাবিশ্বের মন্ত্রীরা বাংলাদেশের মন্ত্রীদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট োঁজে এবং সারাবিশ্বের মন্ত্রীরা আমাদের কাছে পরামর্শ চায়- এটা কেমন করে করা উচিত, ওইটা কেমন করে করা উচিত।

সোমবার (২২ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বিপিও সামিট বাংলাদেশ ২০১৯’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘এই কথাটি একটু গর্ব করেই বলতে পারি, বাংলাদেশকে সম্মান দেয়ার মতো সময় এন বিশ্ববাসী অনুভব করে। এন ডিজিটাল বিপ্লবের কথা বলা হচ্ছে। এন বাংলাদেশের যে জায়গাটি সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত হচ্ছে, আমি অন্তত ২০১৮ ও ২০১৯ সালের গল্প করতে পারি।’

‘আমরা যন সুইজারল্যান্ডে ছিলাম, আমরা বাংলাদেশের দুই মন্ত্রী ওানে ছিলাম। আমার ১৪টা সেশন মডারেট করারই দায়িত্ব ছিল। এইবার বোধহয় দেেছি, সারাবিশ্বের মন্ত্রীরা বাংলাদেশের মন্ত্রীদের ুঁজে বেড়ায়। সারাবিশ্বের মন্ত্রীরা বাংলাদেশের মন্ত্রীদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট োঁজে এবং সারাবিশ্বের মন্ত্রীরা আমাদের কাছে পরামর্শ চায়- এটা কেমন করে করা উচিত, ওইটা কেমন করে করা উচিত। ওই কাজটা কেমনে করছ তোমরা? বাংলাদেশের গর্ব করার মতো জায়গা যেটি, হয়তো ডিজিটালি অনেক দেশ আমাদের চেয়ে এগিয়ে গেছে। কোনো কোনো কাজ হয়তো তারা আমাদের চাইতে বেশি করে ফেলছে’, যোগ করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী।

এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আমার একটা অংশের দায়িত্ব আছে। আমার পক্ষে যেটুকু করা সম্ভব, এটুকু আমি বিশ্বাসের সঙ্গে করব। আমার বোঝার প্রয়োজন নেই। যোনে মোস্তাফা জব্বার আছেন, জুনাইদ আহমেদ পলকের মতো লোক আছেন, আমার সহকর্মীবৃন্দ। তারা যন যে কাজ আমাকে বলবেন, আমার জন্য বোঝার প্রয়োজন নেই। আমাদের মধ্যে সেই সৌহার্দ, সেই ভ্রাতৃত্ব, সেই বন্ধুত্বের বন্ধন আছে। আমরা শে হাসিনার নেতৃত্বে একটা বিশাল কাজ করছি। সেই কাজে প্রান্তিক হলেও আমি যদি অংশ নিতে পারি, নিজেকে ধন্য মনে করব।’

এ সময় মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, ‘এই বিপিও াতকে একটি শ্রেষ্ঠতম উপায় হিসেবে বিবেচনা করতে পারি। সাধারণ শিক্ষা, স্কুল কিংবা মাদরাসায় শিক্ষাগ্রহণ করে থাকুক না কেন, বিপিও াতে ৪৮০ প্রকারের কাজ আছে। কোনো না কোনো কাজের জন্য আমি তাকে যোগ্য করে তুলতে পারব। সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছে অবকাঠামো উন্নয়ন ও দক্ষতা উন্নয়নের জন্য। বেসরকারি াতও একইভাবে এগিয়ে আসছে। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর জন্য ডিজিটাল দক্ষতা প্রদান করা। যে দক্ষতার বলে পৃথিবীর জ্ঞান কর্মী হিসেবে তাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।’

এই সমাপন অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট াতের শীর্ষ কর্মকর্তা ও বিদেশি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে রোববার (২১ এপ্রিল) বিপিও সামিট শুরু হয়। দু’দিনব্যাপী এই সামিট আজ রাত ৯টায় শেষ হলো।

সূত্র: জাগো নিইউজ

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।