Loading
২০০ রুপি পাওনা শোধ করতে ২২ বছর পর ভারতে কেনিয়ার এমপি
Bangladesh News24
Fri, 12 Jul 2019 06:52

২০০ রুপি পাওনা শোধ করতে ২২ বছর পর ভারতে কেনিয়ার এমপি

Bangladesh News24
Fri, 12 Jul 2019 06:52

নব্বইয়ের দশকের কথা। তন মহারাষ্ট্রের আওরঙ্গবাদে মওলানা আজাদ কলেজে পড়াশোনা করতেন কেনিয়ার শিক্ষার্থী রিচার্ড নয়াগাকা টঙ্গি। দেশ থেকে মা-বাবা যে অর্থ-কড়ি পাঠাতেন, তাতে টেনেটুনে চলতে হতো টঙ্গিকে। তিনি আওরঙ্গবাদের ওয়াংেড়েনগর এলাকায় যোনে থাকতেন, তার পাশেই ছিল কাশীনাথ গাওলির দোকান। এই দোকান থেকেই বাজার-সদাই করতেন রিচার্ড। মাঝেমধ্যে বাকি-বকেয়াও পড়ে থাকতো।যন রিচার্ডের পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলো, তন তিনি ডিগ্রি নিয়ে ফেরত গেলেন আপনভূমিতে। এরপর পেরিয়েছে বহু বছর। জীবনের নানা অধ্যায় পেরিয়ে রিচার্ড হয়ে গেলেন কেনিয়ার পার্লামেন্টের সদস্য (এমপি)। একদিন স্ত্রীর সঙ্গে স্মৃতি হাতড়ানোর সময় রিচার্ডের মনে পড়লো ওয়াংেড়েনগরের সেই বাসা আর কাশীনাথের দোকানের কথা। মনে পড়লো তার কাছে কাশীনাথের ২০০ রুপি পাওনার কথাও।ব্যস, স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে রিচার্ড তার জীবন গড়ার স্মৃতিভূমি ভারতে ফিরে সেই ২০০ রুপি পাওনা শোধের সিদ্ধান্ত নিলেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ বছর পর সম্প্রতি আওরঙ্গবাদের ওয়াংেড়েনগরে স্ত্রী মিশেলকে নিয়ে এলেনও রিচার্ড। তবে বকেয়া শোধ করতে এসে যেন আবেগে ডুবে গেলেন কেনিয়ার এই এমপি। কাশীনাথ এবং তার পরিবারও যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, তাদের অনেক চেনা ছেলেটা সত্যিই দূরদেশের এই গলিতে এভাবে আসবেন ‘সামান্য অংকের বকেয়া শোধ করতে’.

২০০ রুপি পাওনা শোধ করতে ২২ বছর পর ভারতে কেনিয়ার এমপি

নব্বইয়ের দশকের কথা। তন মহারাষ্ট্রের আওরঙ্গবাদে মওলানা আজাদ কলেজে পড়াশোনা করতেন কেনিয়ার শিক্ষার্থী রিচার্ড নয়াগাকা টঙ্গি। দেশ থেকে মা-বাবা যে অর্থ-কড়ি পাঠাতেন, তাতে টেনেটুনে চলতে হতো টঙ্গিকে। তিনি আওরঙ্গবাদের ওয়াংেড়েনগর এলাকায় যোনে থাকতেন, তার পাশেই ছিল কাশীনাথ গাওলির দোকান। এই দোকান থেকেই বাজার-সদাই করতেন রিচার্ড। মাঝেমধ্যে বাকি-বকেয়াও পড়ে থাকতো।

যন রিচার্ডের পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলো, তন তিনি ডিগ্রি নিয়ে ফেরত গেলেন আপনভূমিতে। এরপর পেরিয়েছে বহু বছর। জীবনের নানা অধ্যায় পেরিয়ে রিচার্ড হয়ে গেলেন কেনিয়ার পার্লামেন্টের সদস্য (এমপি)। একদিন স্ত্রীর সঙ্গে স্মৃতি হাতড়ানোর সময় রিচার্ডের মনে পড়লো ওয়াংেড়েনগরের সেই বাসা আর কাশীনাথের দোকানের কথা। মনে পড়লো তার কাছে কাশীনাথের ২০০ রুপি পাওনার কথাও।

ব্যস, স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে রিচার্ড তার জীবন গড়ার স্মৃতিভূমি ভারতে ফিরে সেই ২০০ রুপি পাওনা শোধের সিদ্ধান্ত নিলেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ বছর পর সম্প্রতি আওরঙ্গবাদের ওয়াংেড়েনগরে স্ত্রী মিশেলকে নিয়ে এলেনও রিচার্ড। তবে বকেয়া শোধ করতে এসে যেন আবেগে ডুবে গেলেন কেনিয়ার এই এমপি। কাশীনাথ এবং তার পরিবারও যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, তাদের অনেক চেনা ছেলেটা সত্যিই দূরদেশের এই গলিতে এভাবে আসবেন ‘সামান্য অংকের বকেয়া শোধ করতে’!

২২ বছর পর এসে রিচার্ডের পাওনা শোধের কাহিনিটি এরইমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সংবাদমাধ্যমে। বকেয়ার চেয়ে তার আবেগ এবং ভালোবাসার প্রশংসা করছেন অনেকে।সর্ববাঁয়ে রিচার্ড, সর্বডানে তার স্ত্রী মিশেল, মাঝে কাশীনাথ ও তার ছেলেরিচার্ড সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার কাছে তার (কাশীনাথ) ২২ বছর আগের ২০০ রুপি পাওনা পড়েছিল। আমি সদাই করেছি, কিন্তু মূল্য দেইনি। যন আমি কেনিয়ায় ফেরত গেলাম এবং বিয়ে করলাম, তন আমার মনে পড়লো (পাওনার কথা), আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে- ভারতে ফিরে এই পাওনা শোধ করতে হবে। এন আমি প্রশান্তি অনুভব করছি।’

ভারতে এসে রিচার্ড যে আবেগে ডুবে গেলেন, সে কথাও এড়ালেন না। বললেন, ‘যন আওরঙ্গবাদে থাকতাম, তন আমার আর্থিক অবস্থা ুব ভালো ছিল না, এই মানুষগুলো (কাশীনাথ পরিবার) আমাকে নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। তনই মনে হতো, একদিন আমি তাদের পাওনা শোধ করবো এবং তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাবো। এানে এসে আবেগ ছুঁয়ে গেছে আমাকে।’

শিক্ষাসনদ নিয়ে ফিরে যাওয়া রিচার্ড এতোবছর পর এলেন এমপি হয়ে। সে কথা যেন ভাবতেই পারছিলেন না কাশীনাথরা। তাইতো, অতিথি আপ্যায়নের জন্য রিচার্ড ও মিশেলকে আওরঙ্গবাদের সবচেয়ে ভালো হোটেলে নিয়ে যেতে চাইলো কাশীনাথের পরিবার। কিন্তু কাশীনাথের ঘরের াবার েতেই আগ্রহ দোন রিচার্ড।

পরে রিচার্ড তার কলেজে গেলে তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিনি সোনে স্মৃতিচারণ করেন। মতবিনিময় করেন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে। মহারাষ্ট্র থেকে ফেরত যাওয়ার সময় কাশীনাথের পরিবারকে কেনিয়া ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান রিচার্ড।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।